উপজেলা প্রতিনিধি : স্মরণ আহমেদ জীবন
এলএসটিডি প্রকল্পের আওতায় কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ও টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থার উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি), আঞ্চলিক কার্যালয়, টাঙ্গাইল। প্রকল্পের অর্থায়নে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার প্রযুক্তি গ্রাম কিসামতে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে ধান রোপণের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে ।১৯ জানুয়ারী সোমবার সকাল থেকে “নতুন ৬টি আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে স্থানভিত্তিক ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বিদ্যমান গবেষণাগার উন্নয়ন” (এলএসটিডি) প্রকল্পের আওতায় কৃষিযন্ত্রের প্রায়োগিক পরীক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কৃষকের জমিতে ব্রি উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল জাত ব্রি ধান১০৫-এর চারা যান্ত্রিক পদ্ধতিতে রোপণ শুরু হয় । এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়, টাঙ্গাইল-এর বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আদিবা আফরিন রিম । তিনি বলেন, ” যান্ত্রিক পদ্ধতিতে চারা রোপণের মাধ্যমে সময় ও শ্রম সাশ্রয়ের পাশাপাশি ফসল নিবিড়তা বৃদ্ধি, উৎপাদনশীলতা উন্নয়ন এবং পানি ও অন্যান্য সম্পদের দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব । এর মাধ্যমে ধান উৎপাদনে প্রকল্প এলাকায় ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটবে “। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মো. আবু হানিফ, সিনিয়র মেকানিক, ব্রি-গাজীপুর; কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী কৃষকবৃন্দ এবং ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়, টাঙ্গাইল-এর বৈজ্ঞানিক সহকারী মো. আনিসুর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী, ধনবাড়ী উপজেলা মডেল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইমাম হাসান (সোহান) সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ । মো. আবু হানিফ রাইস ট্রান্সপ্লান্টার ব্যবহারের প্রযুক্তিগত সুবিধা, শ্রম ও ব্যয় সাশ্রয় এবং সমান দূরত্বে চারা রোপণের ফলে ফলন বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন । ব্রি’র এই কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করে গ্রামের অন্যান্য কৃষকরাও যান্ত্রিক পদ্ধতিতে ধান চাষে আগ্রহ প্রকাশ করেন। প্রকল্পের আওতায় রোপণকৃত জমির জন্য ব্রি উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল বীজ, সার, কীটনাশক ও সাইনবোর্ড বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়েছে । পাশাপাশি প্রযুক্তি গ্রাম কিসামতে আরও ১০৫ (একশত পাঁচ) বিঘা জমিতে উচ্চ ফলনশীল ধানের জাতের প্রায়োগিক পরীক্ষণ ও মূল্যায়নের লক্ষ্যে বিনামূল্যে বীজ, সার, কীটনাশক ও সাইনবোর্ড বিতরণসহ মাটির উর্বরতা ও