Site icon News 24 Ctg

চট্টগ্রামে রমজানের বাজারে লাগামহীন দর নিত্যপণ্যের

 

বিশেষ প্রতিনিধি (চট্টগ্রাম)
চট্টগ্রামে রমজানের বাজারে লাগামহীন দর নিত্যপণ্যের, ভোগান্তিতে ক্রেতা সাধারণ। রমজানের শুরুতেই চট্টগ্রামের বাজারে ব্রয়লার মুরগির দামে হঠাৎ আগুন। সাধারণ সময়ের চেয়ে কেজিতে প্রায় ৪৫ টাকা বেড়ে এখন বয়লার মুরগী বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২১০ টাকায়। নির্বাচনের আগে যে মুরগি ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায় পাওয়া যেত, সেটিই এখন ২১০ টাকা উপরপ। বাড়তি দামে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।

বিক্রেতারা বলছেন, মুরগির বাচ্চা বেশি দামে কেনা এবং শীতে খামারে মুরগি মৃত্যুর প্রভাব পড়েছে বাজারে। রমজানের আগে এমন মূল্যবৃদ্ধিতে চাপে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, সারাদিন মুরগির দোকানে ভিড় ছিল। তবে ২০০ টাকা কেজিতে কিনতে না পেরে মধ্যবিত্তের অনেকেই মুখ ফেয়ারচ্ছেন বয়লার মুরগী থেকে। দোকানগুলোতে দেড় কেজির কম ওজনের মুরগি তুলনামূলক কম পাওয়া যাচ্ছে। কেজি ২০০ টাকা হিসেবে দেড় কেজির একটি মুরগির দাম পড়ছে ৩০০ থেকে সাড়ে তিনশ টাকা, যা অনেকের সামর্থ্যের বাইরে বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।

পোলট্রি হাউজ মালিকদের দাবি নির্বাচনের পরপরই মুরগির দাম বাড়তে শুরু করেছে। শীতে প্রচুর মুরগি মারা যাওয়ায় বাচ্চা কিনতে হয়েছে বেশি দামে। এর প্রভাব পড়েছে বিক্রয়যোগ্য মুরগির দামে। বাজারে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করা যাচ্ছে না মুরগী। রোজার মাঝামাঝিতে দাম আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ তারা।

খামারিরা জানান, গত বছরের ডিসেম্বরের মাঝামাঝি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানভেদে ব্রয়লার মুরগির প্রতিটি বাচ্চা বিক্রি হয়েছে ২২ থেকে ২৫ টাকায়। এ বছরের জানুয়ারিতে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩০ থেকে ৪০ টাকায়। দুই সপ্তাহ আগেও এক দিনের বাচ্চার দাম ছিল ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। চলতি সপ্তাহে সেই দাম বেড়ে হয়েছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকা।

এছাড়াও নিত্যপণ্যের লাগামহীন দামের মধ্যে উল্লেখযোগ্য রয়েছেন কাঁচামরিচ কেজি ২০০টাকা, লেবু ডজন ৩৬০টাকা, শষা কেজি ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে বাজারে। এছাড়াও অন্যান্য নিত্যপণ্য সবজির দামও আকাশছুঁয়া।

এবিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো.জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানান, বাজারদর নিয়ন্ত্রণ রাখতে রমজান উপলক্ষে বাজার তদারকি রয়েছেন আমাদের একাধিক নির্বাহী ম্যাজেস্ট্রেট।তিনি আরো বলেন কেউ অনৈতিক ভাবে বাজারদর বৃদ্ধির চেষ্টা করলে খুব কঠিন শাস্তির আওতায় আনা হবে।

Exit mobile version