![]()
নিজস্ব প্রতিবেদক : (চট্টগ্রাম)
চট্টগ্রামে রাঙ্গুনিয়া দিদার ব্রিকস (DRB) নামের একটি প্রতিষ্ঠানে অগ্রীম ইট ক্রয় করে প্রতারণার স্বীকার একাধিক ক্রেতা। গত ২০২৪ সালের নবেম্বর মাসে অগ্রীম ইট কিনেন কয়েকজন ক্রেতা তাদের ইট না দিয়ে বিক্রয় মূল্যে লাভসহ টাকা ফেরতের কথা বলে মোবাইল বন্ধ করে উদাও ইট ভাটার মালিক দিদারুল মিঞা। বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগীদের একজন তৌহিদুল ইসলাম নামের এক ইট ক্রেতা জানান আমি ইট ক্রয় করি বিভিন্ন ইট ভাটা থেকে অগ্রীম' তারই ধারাবাহিকতায় দিদার রাঙ্গুনিয়া ব্রিকস (ডিআরবি) নামের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ১ লক্ষ ২০ হাজার ইটের জন্য ৭,লক্ষ টাকা অগ্রীম দেই ওই ইটবাটার নামে একাউন্টে অগ্রীম রিসিট ও চেক জমা রাখার মাধ্যমে। পরে ইট না দিয়ে ঘুরাঘুরি করেন ভাটার মালিক দিদার, একাধিক বার যোগাযোগ করলে টাকা ফেরতের কথা বলে মোবাইলসহ সকল ধরণের যোগাযোগ বন্ধ করেদেন তিনি। পরবর্তী তার পরিবারের তার ওয়াইফ লাভলী, তার ছেলে মাহিন্দ্র ও তার শিশুর মো. জাফরের মাধ্যমে যোগাযোগ করলে বিভিন্ন অজুহাত একবছর পার হলেও টাকা পরিশোধ না করে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় পুনরায়। একপর্যায়ে দিদারের মালিকানাধীন ব্রিকস ফিল্ডটিডে গিয়ে যোগাযোগ করলে ভাটার ম্যানেজার মাসুদ তানবীর বলেন কোম্পানি আরো অনেক লোক থেকে প্রায়ই এককোটি টাকার অধিক টাকা নিয়েছেন এখন ইটবাটায় আসেননা ওনি আমি বিভিন্নরকম হেনেস্থার শিকার হচ্ছি ক্রেতাদের কাছ থেকে। এই বছর আমি চালাচ্ছি পাওনাদার মিটাতে। ভুক্তভোগী ওই ইট ক্রেতা তৌহিদ আরো বলেন বাধ্য হয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো শীগ্রই আমি। আমি এই প্রতারককে গ্রেফতার করে আমাদের টাকা আদায়সহ শাস্তি দাবী করছি প্রশাসনের প্রতি।
প্রতারক ইটভাটা মালিক দিদারুল আলম দক্ষিণ চট্টগ্রাম চন্দনাইশ উপজেলার বৈলতলী গ্রামের আমিনুল হকের পুত্র। ব্রিকস ফিল্ডটি অবস্থিত চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া থানাধীন খতিব নগর এলাকায়।
প্রতারণার শিকার আরেক ভুক্তভোগী চন্দনাইশের মোহাম্মদ এরশাদ জানান চেক ও স্টাম্পের মাধ্যমে ইটের অগ্রীম ৪ লক্ষ টাকা দেন আমার বোন এখন ইট ও দেয়নি টাকা ও দিচ্ছেন না যোগাযোগ ও বন্ধ করে দিছে আমরা তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
প্রধান সম্পাদক মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম
মোবাইল
০১৮১৬৮২৪৮০৭,০১৭৮০২৭৬১০৯
মেইল: news24ctg@gmail.com
অফিস
ঠিকানা কে পি প্লাজা,২য় তলা, কে
সি দে রোড, চট্টগ্রাম